একটি উন্নত, শিক্ষিত ও বিজ্ঞনমনস্ক সমাজ গঠনে তার সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ—বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘নারী ও কন্যা শিশুদের সাক্ষরতা ও শিক্ষা টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি’ শীর্ষক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। উন্নত ও আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত সমাজ গঠনে সরকার ইতিমধ্যে প্রত্যেক জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পদক্ষেপ নিয়েছে।
বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে শিক্ষা ব্যবস্থা ও সাক্ষরতা হারের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন শিক্ষা আইন বাস্তবায়ন করা হবে। শিক্ষা ব্যবস্থায় তথ্যপ্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে ছেলে ও মেয়েদের শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করছে সরকার।
এর আগে নারী-শিক্ষা ও ক্ষমতায়নে বিশেষ অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘শান্তিবৃক্ষ’ পুরস্কার দেয় ইউনেস্কো মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা।
এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, অন্যায় ও বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে নারীদের দাঁড় করাতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন শিক্ষা আইন বাস্তবায়ন করা হবে।
এদিকে, সাক্ষরতা ও শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ৬টি দেশের প্রতিনিধিদের হাতে ইউনেস্কো সাক্ষরতা পুরস্কারও দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে নিরক্ষরমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করলেও বর্তমানে দেশে পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপ অনুসারে সাক্ষরতার হার ৫৯.৮২%। আর বেসরকারি পর্যায়ে জরিপ অনুসারে এটি ৫৭.৫৮%। সংখ্যার দিক থেকে ১১ থেকে ৪৫ বছর বয়সী নিরক্ষর প্রায় ৪ কোটি মানুষ।