দেশের নদ-নদীর নাব্যতা রক্ষায় দখল উচ্ছেদ করে সঠিক সীমানা নির্ধারন করে আদি রূপ ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় পানি সম্পদ পরিষদের নির্বাহী কমিটি।
পাশাপাশি ভাঙন রোধে ব্লক কমিয়ে ড্রেজিং করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ভারতের সঙ্গে তিস্তা সমস্যা সমাধানেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছে কমিটি।
বুধবার সচিবালয়ে কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
নদ-নদী রক্ষায় ব্লক সিস্টেম কমিয়ে ড্রেজিং এর ওপর জোর দেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।
বিগত দিনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুর্নীতির কারণেও অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে পানি সম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, এখন মন্ত্রণালয় ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এতে সরকারের উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।
মন্ত্রী জানান, ভারতের সঙ্গে তিস্তা নদীর পানি বণ্টনের বিষয়টিও সরকারের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
সরকারি হিসেবে বর্তমানে দেশে নদ-নদীর সংখ্যা প্রায় আড়াইশো। এছাড়া ভারত, মিয়ানমারের সঙ্গে রয়েছে ৫৯টি আন্তঃসীমান্ত নদী। নতুন চর জেগে ওঠার পাশাপাশি অবৈধ দখলে এসব নদ-নদী ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। নদ-নদীগুলোকে রক্ষা করে সারাদেশের পানি সম্পদকে সুপরিকল্পিত ও সমন্বিতভাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্য ২০০০ সালে জাতীয় পানি সম্পদ পরিষদ গঠন করে সরকার। সবশেষ ২০১২ সালে পরিষদের বৈঠক হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর বুধবার হলো ১৫তম বৈঠক।