দুঘর্টনায় ৪ জনের প্রাণহানির পর টনক নড়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তাই শুক্রবার সকাল থেকেই কারওয়ান বাজারে রেল লাইনের ওপর বসা বাজার এবং দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালানো হয়।
তবে এক জায়গাতে অভিযান চললেও অন্যান্য রেলগেট এলাকা এখনো অরক্ষিতই রয়ে গেছে। এসব অবৈধ স্থাপনার হোতারা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।
এলাকাবাসির অভিযোগ, কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে নিয়মিত চাঁদার বিনিময়েই রেল লাইনের ওপর ও আশপাশে ব্যবসার সুযোগ করে দেয়া হতো।
আর রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, নিয়মিতই সেখানে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
তারা এ এলাকায় বসবাস করে আসছেন বছরের পর বছর ধরে বলে দাবি করেন বস্তির বাসিন্দারা।
তাদের দাবি, শুরুতে সিরাজ নামে কমিউনিটি পুলিশের এক কমান্ডার প্রত্যেকের কাছ থেকে অগ্রিম ২০ হাজার টাকা করে নিয়ে, তাদেরকে বসবাস এবং ব্যবসা করার সুযোগ দিয়েছেন। আর ভাড়া হিসেবে প্রতিদিন সবার কাছ থেকেই একশ-দুইশো টাকা করে নিতেন।
এদিকে, দিনের পর দিন চাঁদাবাজি চললেও এ বিষয়ে কোনো তথ্য নেই রেলওয়ে পুলিশের কাছে।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দাবি, এ অভিযান এখন নিয়মিতই চলবে আর কোনো অবৈধ স্থাপনা রেল লাইনের আশপাশে বসতে দেয়া হবে না।