জাতীয়

ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তি অনুমোদনে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর

শেখ হাসিনা
শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তি অনুমোদনে ভারত দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয় পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্থলসীমান্ত চুক্তি অনুমোদনের একটি বিল এখন ভারতের লোকসভায় রয়েছে। সূত্র বাসস।

ভারত স্থল সীমান্ত বিষয়ক দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানে চুক্তিটি অনুমোদন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, দু’দেশের সীমান্তের মধ্যকার সীমানা রেখা টানা ও মানচিত্র তৈরির কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন এ সমস্যা চিরতরে বিদায়ে ভারতের লোকসভার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, মুজিব-ইন্দিরা প্যাক্ট’এর আওতায় বহু আগে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতো। কিন্তু ১৯৭৫ সালের পর কোনো সরকার এক্ষেত্রে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। যদিও বাংলাদেশ এ প্যাক্ট স্বাক্ষর হওয়ার পর পর এটি অনুমোদন করে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সীমানা রেখা নির্ধারণের উদ্যোগ নেয়। সে সময় ভারতের সঙ্গে সাড়ে ৬ কিলোমিটার ছাড়া প্রায় সব সীমানা রেখা চিহ্নিতের কাজ সম্পন্ন হয়।

তিনি বলেন, সমস্যার সৃষ্টি হয় মুহুরীর চর নিয়ে। অব্যাহত ভাঙনের ফলে মুহুরী নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ভারত নদীর মধ্যস্থলে সীমানা রেখা নির্ধারণ করে মুহুরীর চরের জমি দাবি করে। কিন্তু আমরা ভারতের দাবি গ্রহণ করিনি। আমরা ১৯৪৭ সালের সীমান্ত পিলারের ভিত্তিতে জমির সীমানা নির্ধারণের ওপর জোর দেই। দীর্ঘ আলোচনার পর ভারত আমাদের দাবি মেনে নেয় এবং আমরা ফেনীর নিকটবর্তী সীমান্তের মুহুরীর চরে ৪৫ বিঘা জমি লাভ করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উভয়পক্ষের সম্মতিতে ১৯৪৭ সালে পিলারের ভিত্তিতে বাংলাদেশ মুহুরী নদী ও মুহুরীর চর পায়। এছাড়া জনসংখ্যার ভিত্তিতে সীমান্তের অন্যান্য ছিটমহলের জমি নির্ধারণেরও কাজ সম্পন্ন হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রণালয়সমূহের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন।

ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—ভূমির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজড করার ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্টদের সর্তক থাকারও নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা।

শিল্পায়ন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ভূমি ব্যবহারে পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক পরিকল্পনার এবং বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থলসীমান্ত সমস্যা নিষ্পত্তিরও প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

এছাড়া, যত্রতত্র এলাকায় শিল্পকারখানা গড়ে না তুলে বরং উর্বরহিন জমিতে তা প্রতিষ্ঠার পরামর্শের পাশাপাশি ভূমির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও ভূমি ব্যবস্থাপনায় জোর দেয়ারও তাগিদ দেন তিনি।

ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এসময় প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, সচিব সাইফুল ইসলাম ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশটিভি/এএ
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে ভোক্তা অধিদপ্তর ও সিসিএস-এর সচেতনতামূলক সভা

ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী

চোরাগলি দিয়ে সরকার উৎখাতের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৫৩৭১, মৃত্যু ৬২৮৪ জনের

খুলনায় দুই দিনের ‘পরিবহন ধর্মঘট’ চলছে

২৫ অক্টোবর আংশিক সূর্যগ্রহণ

ভোজ্যতেল নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

সুদানে জাতিগত সংঘর্ষ নিহত অন্তত ১৫০

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ