পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূলের সঙ্গে জামাতের সংশ্লিষ্টতার যে খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে তা ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ের জন্যই আশঙ্কাজনক—এ মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু। শনিবার কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় উপজেলা জাসদেরকর্মী সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, এ ব্যাপারে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ সরকার মনযোগ দিয়েছে। সেইসঙ্গে সীমান্তের সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধেরও চেষ্টা করে যাচ্ছে।
‘বাংলাদেশে যে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের তৎপরতা চলছে তার একটা যোগাযোগ আন্তর্জাতিক মহলে আছে এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে আছে। সুতরাং জঙ্গিবাদ শুধু বাংলাদেশের জন্য বিপদজনক না এটা অঞ্চলের জন্য বিপদজনক ও পৃথিবীর জন্য বিপদজনক বলেন জানান মন্ত্রী।’ – বলেন মন্ত্রী
ইনু আরো বলেন, ‘পশ্চিম বঙ্গ সরকার মমতা ব্যানার্জির অধীনে জামাতের সশস্ত্র ঘাঁটি গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে সেটা দুই দেশের জন্য উদ্বেগজনক। এ ব্যাপারে সীমাপাড় সন্ত্রাস বন্ধ করার জন্য ২ দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তিও আছে। এরইমধ্যে আমাদের সরকার মনযোগ দিয়েছে এবং সীমা পাড় সন্ত্রাস বন্ধ করার চেষ্টা করছে। দেশের মধ্যে সন্ত্রাস বন্ধ করার সর্বাত্বক চেষ্টা সরকার করে যাচ্ছে।’
বিদেশি বন্ধুরা বাংলাদেশে এসে জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে কথা বলেন না, বরং এদেশে জঙ্গিবাদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন।
ইনু বলেন, ‘এখানে ইউরোপ –আমেরিকার বন্ধুরা যারা জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাস মোকাবেলায় বিশ্ব ঐক্যের কথা বলার পরে বাংলাদেশের ব্যাপারে কথা বলতে আসে তখন তারা চোখ বন্ধ করে থাকে। তখন তারা আমার দেশের র জঙ্গিবাদের তাণ্ডব দেখতে পান না তখন তারা জঙ্গিবাদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত নেতা নেত্রীর নাম বলতে চান না বরং জঙ্গিবাদের সরাসরি পৃষ্টপোষক বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।’
তিনি আরো বলেন, ‘ইউরোপ –আমেরিকার নেতারা এবং সরকারগুলোকে বলতে চাই তারা যদি বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে উৎসাহ দেখান সেখানে জঙ্গিবাদ দমনে প্রথম শর্তটা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ নেত্রী খালেদা জিয়াকে তারা পরামর্শ দিবেন জঙ্গিবাদ বর্জন করার জন্য পরামর্শ দিবের যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গ বর্জন করার জন্য।’