আজ (মঙ্গলবার) শুভ মহালয়া। ধ্বনিত হলো হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজার আগমনী ঘণ্টা। মন্দিরে মন্দিরে চণ্ডিপাঠের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যলোকে আবাহন করেন ভক্তরা। আগামী মঙ্গলবার ষষ্ঠীতে দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা।
শারদীয় দুর্গা উৎসবের পুণ্যলগ্ন, শুভ মহালয়া। পুরাণ মতে, এদিনে দেবী দুর্গার আর্বিভাব ঘটে। অশুভ অসুর শক্তির কাছে হেরে গিয়ে স্বর্গলোক থেকে বিতাড়িত দেবতারা একত্রিত হয়ে অশুভ শক্তিকে বিনাশে নিজেদের শরীর থেকে এক তেজরশ্মি নির্গত করেন। মহাতেজের আলোয় ঘোর অমাবস্যা দূর হয়ে প্রতিষ্ঠা পায় শুভশক্তি। এ শুভ শক্তিই দেবী দুর্গা।
মহালয়া উপলক্ষে ভোর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ছিলো জাঁকজমকপূর্ণ আচার-আনুষ্ঠানিকতা। চণ্ডিপাঠের মাধ্যমে দেবী দুর্গাকে আবাহন করা হয় মর্ত্যলোকে।
সকালে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে চণ্ডিপাঠের আয়োজন করা হয়। চণ্ডিপাঠের পাশাপাশি ছিল যজ্ঞ।
পঞ্জিকা মতে এবার দেবী দুর্গা নৌকায় আসবেন— অর্থাৎ শস্যপূর্ণ হবে পৃথিবী বলে জানান সার্বজনীন পূজা কমিটির প্রধান পুরোহিত রনজিত চক্রবর্তী।
রাজধানীর কলাবাগান মাঠে ধানমণ্ডি সার্বজনীন পূজা কমিটি আয়োজন করে চণ্ডিপূজা ও চণ্ডিপাঠের। এছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ধর্মীয় সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন করা হয়।
এদিন গঙ্গাতীরে মৃত স্বজনদের আত্মার শান্তি কামনায় প্রার্থনা করা হয়।
আগামী মঙ্গলবার ষষ্ঠীতে দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা।