রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মগবাজার-মালিবাগ সড়কটি চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে । ফ্লাইওভারের নির্মান কাজের কারণে সড়ক জুড়েই সৃষ্টি হয়েছে গর্ত। তার ওপরে রয়েছে ভয়াবহ যানজট। বিকল্প সড়ক ব্যবস্থা না রাখায় এক কিলোমিটার রাস্তা পার হতে দেড় থেকে দুই ঘন্টা সময় লাগছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, আরও এক বছর পোহাতে হবে এ যন্ত্রনা। তবে জানিয়েছেন আসছে ঈদের আগেই এ সড়কের খানা-খন্দ মেরামত করা হবে।
মৌচাক থেকে বাংলামোটর। এদিকে, মালিবাগ থেকে শান্তিনগর আর ওদিকে সাতরাস্তা থেকে মগবাজার, পুরো ৮ কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে চলছে নির্মাণ যজ্ঞ। একদিকে উড়াল সেতু নির্মাণকে কেন্দ্র করে ঢাকা ওয়াসা, ডিপিডিসি আর বিটিসিএল এর রাস্তা খোঁড়াখুড়ির কারণে সড়কের ওপর তৈরি হয়েছে ছোট-বড় গর্ত। অন্যদিকে, বৃষ্টির পানিতে কাঁদায় একাকার পুরো রাস্তা। আর ওপরে চলছে নির্মাণ কাজ। এসব মিলে পুরো এলাকা জুড়েই অবর্ণনীয় দুরাবস্থা।
মূল সড়কের এই কাঁদা-পানি আর যানজট ছড়িয়ে পড়েছে আশে-পাশের অলি-গলিতে।
গাজিপুর-গুলিস্তান, গাজিপুর- সায়েদাবাদ, মিরপুর-কমলাপুরসহ উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ১০টি রুটের গাড়ি চলাচলের একমাত্র পথ এটি। গাড়ি চালকরা জানিয়েছেন, মগবাজার থেকে মালিবাগ পর্যন্ত পার হতেই ঘণ্টা পার হয়ে যায়। ফলে কমেছে যাত্রী সংখ্যা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নির্মাণ কাজের অর্ধেকও শেষ হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, একাধিকবার নকশা পরিবর্তনের কারণে নির্মাণ কাজে দেরি হচ্ছে। এতে সময় বাড়ার পাশাপাশি বাড়ছে প্রকল্পে ব্যয় ।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙা জানিয়েছেন, রাজধানীবাসীকে স্থায়ী সুবিধা দিতেই সাময়িক এই দুর্ভোগ। তবে, কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে শিগগিরই এ সড়কের ভাঙা-চোরা অংশ মেরামত করার কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
৮.২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের উড়াল সড়কের নির্মানকাজ শুরু হয়েছে ২০১৩ সালে। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও একাধিকবার নকশা পরিবর্তনের কারণে তা এখন শেষ হবে ২০১৬ সালে।