রাজধানীতে কোরবানীর পশুর হাট ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। তবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের এ সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন বেপারী ও ইজারাদাররা। ঈদে ঘরমুখো ভিড় শুরু হলে শুধু যানজটের কারণেই হাটগুলোতে পর্যাপ্ত পশু না-ও আসতে পারে এমন শংকা তাদের।
এবার রাজধানীতে ১৮টি মাঠে পশুর হাট বসবে তবে সড়কে হাট বসার ক্ষেত্রে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মানছেন না অনেকেই। প্রস্তাবিত হাটগুলোর আশপাশের সড়কেও পশুর হাটের দেখা মিলেছে।
প্রতিবারের মতো এবারও গাবতলীর স্থায়ী হাট ছাড়া আরো বেশ কয়েকটি অস্থায়ী কোরবানীর পশুর হাটের আনুমতি দিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। তবে এবার রাজধানীর আঁগারগাও এলাকা ছাড়া সব খানেই মাঠের মধ্যে হাট বসানোর জন্য ইজারা দেয়া হয়েছে।
বাবুবাজার, তালতলা ও তেঁজগাও এলাকায় এবার হাটের অনুমতি দেয়া হয়নি, সড়কে হাট বসানোর কারণে। শুধু ব্যতিক্রম আঁগারগাও এলাকা।
এছাড়া প্রতিটি হাটেই যাতে আ্যনথ্রাক্সমুক্ত কোরবানীর পশু বিক্রি নিশ্চিত করার জন্য আদালতের নির্দেশে থাকছে চিকিৎসকের ব্যবস্থা।
এদিকে, রাজধানীর ব্রাদার্স ইউনিয়ন মাঠ, কমলাপুর ও পুরনো ঢাকার সাদেক হোসেন খোকা মাঠে গিয়ে দেখা গেছে হাটের প্রস্তুতি এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। কোনো কোনো হাটে ইতোমধ্যে বেপারীরা গরু নিয়ে আসলেও, তা হাটে প্রবেশ করাতে পারছেন না, নিষেধাজ্ঞা থাকায়। ফলে ইজারাদার এবং বেপারী, উভয়েই পড়েছেন বিপাকে।
কোথাও আবার দেখা গেলো হাটে জায়গা না পেয়ে, হাট সংলগ্ন আশপাশের গলিতে বেপারীরা গরু নিয়ে অবস্থান করছেন।
এছাড়াও বাবুবাজার এলাকার সড়কে এবার হাটের অনুমতি থাকলেও সেখানে বিলবোর্ডে দেখা গেছে গরু বিক্রির বাহারী বিজ্ঞাপন। দাবি করা হয়েছে, ফেইসবুকের মাধ্যমে গরু পছন্দ করে ক্রেতারা তা বুকিং দিতে পারবেন।