ঈদকে সামনে রেখে অনেকটাই ফাঁকা রাজধানী, সড়কগুলোতে নেই সেই চির চেনা যানজট বা ভিড়। তবে কমলাপুর রেল স্টেশন, সায়দাবাদ, মহাখালী ও গাবতলী বাস টার্মিনাল এবং সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ছিল ভিন্ন রূপ, সব ভিড় যেন স্টেশন আর টার্মিনালগুলোতেই। যাত্রীদের উপচে পড়া ভীড়। যাত্রীদের অভিযোগ সময় ছাড়ছে না ট্রেন ও লঞ্চ; আবার তার ওপর নেওয়া হচ্ছে বাড়তি ভাড়াও।
যারা আছেন তাদের অনেকের গন্তব্যই এখন রেল স্টেশন আর বাস বা লঞ্চ টার্মিনাল। কমলাপুর স্টেশনে ভোর থেকেই ছিলো যাত্রীদের উপচে পড়া ভীড়। ট্রেনে আসন না পেয়ে অনেকেই জায়গা করে নিয়েছেন ছাদে। অনেকেই লাইনে দাড়িয়েছে দাড়িয়ে যাওয়ার টিকিটের আশায়।
তবে যাত্রীদের সময় মতো ট্রেন না ছাড়ার অভিযোগ থাকলেও, আপনজনের সঙ্গে ঈদ করতে পারবেন এতেই তারা খুশি।
এদিকে, বাস টার্মিনালগুলোতেও একই চিত্র, সব বাসেই যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ ভাড়া। তবে মালিকদেরও যুক্তি আছে বলছেন, যাত্রী ছাড়াই খালি বাস নিয়ে ফিরতে হচ্ছে তাদের।
আর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের চিত্র আরো ভয়াবহ। লঞ্চের ছাদ, ডেক সব জাগায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভীড়। দুর্ঘটনার ভয় আছে তারপরও আপনজনদের সঙ্গে ঈদকরতে ঝুকি নিয়ে যাচ্ছেন বাড়ি।
যদিও লঞ্চ কর্তৃপক্ষ জানালেন, ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী নিচ্ছেন না তারা।
এদিকে, যাত্রাপথে দীর্ঘ অপেক্ষা, অতিরিক্ত ভাড়া, মহাসড়কে যানজটের ভোগান্তি তারপরও বাড়ি যাওয়া। আপনজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেয়া।