ঈদের জামাত ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে— রয়েছে আইনশৃংখলা বাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প এবং লাগানো হয়েছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরাও বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার বেনজির আহমেদ। রোববার সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
বেনজির আহমেদ বলেন, ঈদুল আযহায় ঢাকা মহানগরের ৫৬৮টি স্থানে ৬৫২টি জামাতের ব্যবস্থা রয়েছে
এছাড়া, গরু ব্যবসায়ীদের কাছে কেউ যেনো চাঁদাবাজি না করতে পারে সে বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের কথাও জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।
এদিকে, ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইব্রাহিম হোসাইন খান সাংবাদিকদের বলেন, ঈদের দিন থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হবে।
পবিত্র ঈদুল আযহা আগামীকাল (সোমবার) তাই এরইমধ্যে শেষ হয়েছে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের সকল প্রস্তুতি। মুসল্লিরা যাতে নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন সেজন্য নেয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা। জাতীয় ঈদগায়ে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
এবার ২ লাখ ৫৮ হাজার বর্গফুট এলাকায় ৭৪ হাজার পুরুষ ও ৫ হাজার নারীর একসঙ্গে জামাত আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে এবার। মন্ত্রিসভার সদস্য ও কূটনীতিকগণ ঈদের নামাজ আদায় করবেন এখানে।
ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ২২৮টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে আর উত্তর সিটি করপোরশেন এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে তিতুমির কলেজ মাঠ, গুলশান আজাদ মসজিদ, মিরপুর গুদারাঘাট মাঠসহ ১৬০টি স্থানে।
এদিকে, দেশের বৃহত্তম ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ময়দান। এছাড়া, জেলা ও বিভাগীয় শহরে প্রধান জামাতের জন্য ময়দানগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে।
প্রতি বছরের মতো এবারো কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে সোয়া লাখ মুসল্লি একসঙ্গে ঈদের জামাত আদায় করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ঈদের দিন সকাল ৯টায় এখানে অনুষ্ঠিত হবে জামাত।
বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ঈদ-উল-আযহার প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল পৌনে ৮টায় জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে।
খুলনার সার্কিট হাউজ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০টা এবং সিলেটের ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহে ঈদ-উল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায়।
যশোরে ঈদ-উল-আযহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে।
এছাড়া, জেলা ও বিভাগীয় শহরের ছোট বড় বিভিন্ন ঈদগাহ ময়দানগুলো প্রস্তুত ঈদের জামাতের জন্য।