ঈদের আগের দিনও রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন, গাবতলী-সায়েদাবাদ, মহাখালি বাস টার্মিনাল ও সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে রয়েছে ঘরমুখো মানুষের ভিড়। তবে উপচেপড়া নয়, স্বাভাবিক। এদিকে, ট্রেনের ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সময়সূচি বিপর্যয়ের অভিযোগও রয়েছে। এইসব সার্বিক অসঙ্গতি মেনে নিয়েই ক্রমান্বয়ে তা দূর করার আশ্বাস দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু বিষয়ক মন্ত্রী।
রাজধানীর এ চিত্র সাধারনত বিরল; বলতে গেলে সচরাচর দেখা যায় না। ভীড়, যানজট আর কোলাহল মুক্ত এ যেন এক অন্য ঢাকা। তবে চির চেনা ভিড় যেন জায়গা করে নিয়েছে রাজধানীর স্টেশন আর টার্মিনালগুলোতে।
গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে আসেন সড়ক পরিবহন ও সেতু বিষয়ক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের যানজট, অতিরিক্ত ভাড়া, চাঁদাবাজিসহ যাবতীয় অব্যবস্থাপনার বিষয়টি স্বীকার করে সংকট সমাধানে সবার সহযোগিতা চান।
স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে শেষ মুহূর্তে সবাই ছুটছেন বাড়ির দিকে। কমলাপুর রেলস্টেশনে ঈদের আগের দিনও তাই কাউন্টারে টিকেট প্রত্যাশীদের ভিড়। প্ল্যাটফর্মে ভিড়; সবা অপেক্ষা কখন ছাড়বে ট্রেন। পর্যপ্ত ট্রেনের অভাবে ভেঙ্গে পড়েছে সময়সূচি। তিন/চার ঘন্টা অপেক্ষা করেও দেখা মিলছে না নির্ধারিত ট্রেনের।
গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এ বিপর্যয়ের কারণে দীর্ঘ অপেক্ষার পরও যথা সময়ে ট্রেন না ছাড়ার অভিযোগ আজও (শনিবার) অব্যাহত আছে। আর ট্রেনের ভিতরে জায়গা না পেয়ে, নিয়ম ভেঙ্গে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ছাদে উঠে যাত্রা।
তবে সবকিছু ছাপিয়ে বাড়ি যাওয়ার আনন্দটাই যেন মুখ্য। অসঙ্গতি যাই থাক, প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে নিরাপদে ফিরবে সবাই রাজধানীতে, এমনটাই প্রত্যাশা সবার।