সিটি করপোরেশনের ঘোষণা অনুযায়ী ৪৮ ঘণ্টা সময়সীমা পার হলেও এখনো রাজধানীর অনেক জায়গায় রয়েছে কোরবানির বর্জ্যের স্তূপ। বেশির ভাগ জায়গায় রাস্তার পাশে পশুর বর্জ্যের দুর্গন্ধে নাকাল এলাকাবাসী।
দুই সিটি কর্পোরেশনই দাবি, বেশির ভাগ জায়গার বর্জ্য সরাতে সক্ষম হয়েছে তারা। তবে ইজারাদারদের পশুর হাটগুলো ছেড়ে না দেয়ায় সেখানকার ময়লা সরানোর কাজ শুরু করতে পারেনি।
এদিকে, তৃতীয় দিনেও রাজধানীতে চলছে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের কাজ। ঈদের দিন থেকেই টানা চলছে এ অপসারণ কাজ।
দুই সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারাই দাবি, বেশির এলাকারই বর্জ্য এরই মধ্যে অপসারণ করা হয়েছে।
তবে দুই সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় এভাবে এখনও পড়ে আছে কোরবানির বর্জ্য। পশুর বর্জের দুর্গন্ধে হাটাচলা করাই কঠিন।
এদিকে, পশুর হাটগুলো থেকে এখনও বর্জ্য অপসারণ শুরু হয়নি। চুক্তি অনুযায়ী ইজারাদাররা পশুর হাটগুলো খালি করে না দেয়ায় ওখান থেকে বর্জ্য অপসারণ করতে পারছে না সিটি করপোরেশন।