বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে কাউকে জঙ্গি তৎপরতা চালাতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজামান কামাল। শুক্রবার পঞ্চগড়ে বাংলাবান্ধা সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে কোনো জঙ্গিকে আস্থানা করতে আমরা দেবো না। শুধু আমাদের দেশে নয় বরং আমাদের দেশ থেকে বিদেশে কোনো রকম সন্ত্রাসী তৎপরাতা চালাবে, এটাও করতে দেয়া হবে না।’
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো সঠিক তথ্য আসেনি, ভারত আমাদের কিছু জানায়নি।’
তবে জঙ্গি অর্থায়নে দেশের কোনো ব্যবসায়ী জড়িত কি-না তা খতিয়ে দেখছে গোয়োন্দারা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুত্রে জানা গেছে, ৩ দিন আগে ঢাকার পক্ষ থেকে যে চিঠি পাঠানো হয়েছে তার জবাব এখনো দেয়নি নয়াদিল্লী।
ভারতীয় গণমাধ্যমে এ সংবাদ প্রকাশের পর, জঙ্গি দমনে গঠিত টাস্কফোর্সসহ বাংলাদেশের গোয়েন্দারা ব্যাপারটি খতিয়ে দেখছে। তবে বর্ধমানে বোমা হামলায় আহত জঙ্গিকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ভারতের গোয়েন্দারা আর জঙ্গি অর্থায়নে দেশের কোনো ব্যবসায়ী জড়িত কি-না, তাও খতিয়ে দেখছে ঢাকার গোয়েন্দারা।
বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘ঘটনাটি কী ঘটেছে তা জানার জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে যে, সেখানে বাংলাদেশের মানুষের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি-না এবং তারা এ পর্যন্ত কী তথ্য-প্রমান পেয়েছেন?’
এছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এ ব্যাপারে শুরু হয় গোয়েন্দা তৎপরতা।
বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজামান কামাল বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে আমাদের দেশিয় কোনো সম্পৃক্ততা আছে কি-না এগুলো অবশ্যই দেখা হবে।’
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে বোমা তৈরির সময় নিহত দুই জঙ্গি বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন (জেএমবি) সদস্য। এমন দাবি করে ভারতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর টনক নড়ে বাংলাদেশের। ঢাকা আনুষ্ঠানিকভাবে নয়াদিল্লীর কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানতে চায়।