মন্ত্রিসভা থেকে সদ্য অপসারণ হওয়া আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও মুক্তিযুদ্ধের উপ-অধিনায়ক এ কে খন্দকারকে বয়স প্রতিবন্ধী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিন।
রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তকরণ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রমোদ মানকিন বলেন, ‘প্রতিবন্ধিতা অনেক ধরনের। শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীদের মতো বয়সপ্রতিবন্ধীও রয়েছেন। এই যে একজন “১৯৭১: ভেতরে ও বাইরে” নামের একটা বই লিখেছেন। বলেছেন, বঙ্গবন্ধু নাকি জয় পাকিস্তান বলেছেন। উনি সেখানে ছিলেন না, ভাষণ শোনেননি। এ কে খন্দকার ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সময় উপস্থিত ছিলেন না। অথচ তিনি তার বইয়ে লিখলেন বঙ্গবন্ধু জয় পাকিস্তান বলেছেন। বয়স প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে এ রকম লিখতে পারেন তিনি।’
আর লতিফ সিদ্দিকী কী বললেন? বিশ্বাসী মানুষ এমন কথা বলতে পারে? উনারা আসলে বয়সপ্রতিবন্ধী হয়ে গেছেন।’
বয়স প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে লতিফ সিদ্দিকী অনাকাঙ্খিত বক্তব্য দিয়ে সারাদেশে ঝড় তুলেছেন।
তিনি বলেন, প্রতিবন্ধীদের রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক কাজে অন্তর্ভূক্ত করা জরুরি। তাদের অধিকার সুরক্ষার জন্য সরকার ইতিমধ্যে আইন করেছে। গোবরে যেমন পদ্মফুল ফোটে, সুযোগ পেলে প্রতিবন্ধীরাও সমাজকে আলোকিত করবে।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় শতকরা নয় ভাগ প্রতিবন্ধী। এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় আনতে না পারলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।