ইতালির প্রেসিডেন্ট জর্জিও নেপলিতানোর দেয়া নৈশ ভোজে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠকে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে আর্থ সামাজিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো জোরদার হওয়ার আশা প্রকাশ করেন দুই নেতা।
উভয় নেতা ইউরেশিয়া (এসেম) বৈঠকে যোগদানকারী দেশগুলোর বিশ্বের এ ২টি অঞ্চলের উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বলে জানা গেছে।
তারা আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে আর্থ-সামাজিক সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরো জোরদার করা হবে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানার ছোট কন্যা রূপন্তি উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সম্মেলনের পাশাপাশি মিলান কংগ্রেসে ইতালির প্রধানমন্ত্রী ম্যাট্টিও রেনজি'র সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠক করেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে তার দেশের উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার আশ্বাস দিয়ে রেনজি-বাংলাদেশের উন্মুক্ত বিনিয়োগ নীতির প্রশংসা করেন।
এদিকে, শীর্ষ সম্মেলনের আগে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মের্কেলের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন জার্মান চ্যান্সেলর।
এছাড়াও গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্তনিও সি সামারাসের সঙ্গেও বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান গ্রিক প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনের পাশাপাশি নেদারল্যান্ডেরসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রাটের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। এ সময় বাংলাদেশের সোনাদিয়ার গভীর সমুদ্র বন্দরের বিনিয়োগসহ আরো উন্নয়ন প্রকল্পে অংশ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ডাচ প্রধানমন্ত্রী।
চীন, জাপান, সুইডেনসহ বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।