তথ্য অধিকার আইনের ৭ ধারার অপব্যবহার করে অনেক ক্ষেত্রে তথ্য সরবরাহকারীরা জনগণকে তথ্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত করছে বলে অভিযোগ করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীতে ‘তথ্য অধিকার আইন’ বিষয়ক সেমিনারের তিনি এ কথা বলেন।
ইনু বলেন, জনগণের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট আইনের ৭ ধারা সংশোধন এবং প্রয়োজন হলে আইনের হালনাগাদের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কাজ করছে সরকার। গণতন্ত্রের ও সমাজের স্বার্থে তথ্য অধিকার আইনে কিছু বিধি-নিষেধ রাখা হয়েছে।
এ সময় তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে ৭ ধারা সংশোধনের বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্টজনেরা।
প্রসঙ্গত: জনগণের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করতে ২০০৯ সালে পাস হয় ‘তথ্য অধিকার আইন’। যেখানে বলা হয়, দেশের কোনো নাগরিক তথ্য চাইলে কর্তৃপক্ষ তা দিতে বাধ্য। একই আইনের ৭ ধারায় তথ্য প্রকাশ বা প্রদানে বাধ্যতামূলক নয় মর্মে ২০টি উপধারা সংযোজিত রয়েছে। এতে দেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ব্যক্তি গোপনীয়তা ও আদালতের নিষেধাজ্ঞার মতো বেশ কিছু বিষয়ে তথ্য প্রদান বাধ্যবাধকতার বাইরে রাখা হয়ছে।
তবে অভিযোগ রয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে এ ৭ ধারার অপপ্রয়োগ করে তথ্যের অধিকার থেকে জনগণকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।