যেমন বঙ্গবন্ধুর কারণে বাংলাদেশের পরিচয় তেমনি একজন শেখ হাসিনার কারণে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পরিচয় জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ।
বুধবার কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) এবং ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাংলাদেশের দুই প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো অভিনন্দন বার্তায় এ কথা বলেন তিনি।
জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি ওই দুটি নির্বাচনে বিজয়ী হন।
অভিনন্দনবার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেন এরশাদ বলেন, এই বিজয় শুধু আমাদের দুজন প্রার্থীরই বিজয় নয়, এই বিজয় আপনার মতো একজন সুদক্ষ-দৃঢ়চেতা-সাহসী এবং সৎ রাষ্ট্রনায়কের আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গগনচুম্বী ভাবমূর্তিরই বিজয়। এই বিজয় বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বিজয়।
এরশাদ চিঠিতে জানান, ‘আইপিইউর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কে প্রার্থী হলেন, সেটা বড় বিষয় ছিল না। তিনি বাংলাদেশের পার্লামেন্টের একজন মাননীয় সংসদ সদস্য, যে পার্লামেন্টের নেতা শেখ হাসিনা এবং তার মনোনীত প্রার্থী হওয়াটাই ছিল বড় বিষয়। সেই নির্বাচনে বিশ্বের ১৬৯টি সংসদীয় গণতান্ত্রিক দেশ- বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা নিয়ে আপনার প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে এবং বিজয়ী করেছে।’
আইপিইউ প্রতিষ্ঠার ১২৫ বছর পর প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক সাফল্যের জন্য বাংলাদেশ এই মর্যাদাকর পদটি পেয়েছে এবং দেশবাসী তা চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে বলেও উল্লেখ করেন এরশাদ।