বাংলাদেশ থেকে ১ হাজার নারী শ্রমিক নেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত। রোববার ইউএই সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দুবাইয়ে এ বিষয়ে এক সমঝোতাস্মারক সাক্ষরিত হয়।
এর লক্ষ্য- দেশটিতে বাংলাদেশি নারীকর্মীদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা। এ সমঝোতার আওতায় ১৪ পেশায় বাংলাদেশি ১ হাজার নারীকর্মী প্রাথমিকভাবে নেবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি, পরে তা আরো বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব খন্দকার শওকত হোসেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালের সোস্যাল সিকিউরিটি ফান্ডের অধীনে গঠিত প্রফেশনাল লেবার রিক্রুটমেন্ট কোম্পানি আমালা গ্রুপের মধ্যে এ স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে, পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্র বন্দর ও কক্সবাজারে মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণসহ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার ব্যাপারেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটি।
এছাড়া আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রবাসী বাংলাদেশীদের দেয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে দেশি-বিদেশি কোনো ষড়যন্ত্রই কাজে আসেনি বরং বাংলাদেশ সম্পর্কে সারা বিশ্বে আস্থা ও বিশ্বাস তৈরি হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, কিছু সংখ্যক মানুষের কারণে প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। আর তা পুনরুদ্ধারে প্রবাসীদের তাগিদ দেন শেখ হাসিনা।
এর আগে সন্ধ্যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন শেখ হাসিনা। এসময় বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়া আরো সহজ করতে আগামী বছরের শুরুতে ঢাকা দূতাবাসে একজন লেবার অ্যাটাশে নিয়োগ দেয়ার কথা বলেন আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এছাড়া, পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর ও কক্সবাজারে মেরিন ড্রাইভ সড়কসহ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা যাচাই ও নির্মাণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে দুবাই পোর্ট ওয়ার্ল্ড অথরিটি। সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের এ আগ্রহের কথা জানান সংস্থার প্রধান।