যখন দেশে গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থা থাকে তখন যে কোনো সময় কিন্তু একটা নির্বাচন দেয়ার অধিকার সরকারের থাকে—একটা নির্বাচন যখন করা হয়েছে আরেকটা নির্বাচন তো আসবেই, সময় মতোই নির্বাচন হবে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গণভবনে শুরু হওয়া সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় ৫ জানুয়ারির এ নির্বাচনটা আমাদের করতে হয়েছে। বিএনপি যাতে নির্বাচনে আসে সেজন্য সব রকম পদক্ষেপ আমরা নিয়েছিলাম। সব চেষ্টা করার পরও তারা নির্বাচনে আসেনি, নির্বাচন মানেনি এমনকি নির্বাচনে আসবে তো না, আবার নির্বাচন হতেও দিবে না এটাই ছিল তাদের প্রচেষ্টা।’
এসময় সাংবাদিকদের দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন না হলে কি হতো? একবার তো ১/১১ ধাক্কা সবাইকে সামাল দিতে হয়েছে। কাজেই সেই ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তারা (বিএনপি) আনতে চেয়েছিল। একটা নির্বাচন হলে তার পরবর্তীতে আরেকটা নির্বাচন তো আসবেই। এটা খুব সাধারণ কথা। এটা অন্যভাবে বোঝার কিছু নেই।
‘যখন গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থা থাকে, সেখানে কিন্তু একটা নির্বাচন দেয়ার অধিকার সরকারের থাকে। এটা দিতে পারে। অনেকেই হয়ত একটা আগাম দেন আবার অনেকেই হয়ত সময় পূর্ণ করে দেন। জনগণ নির্বাচনে ভোট দিয়ে ৫ বছরের জন্য নির্বাচন করে এটা ঠিক। ৫ বছর একটা সরকার রাষ্ট্রপরিচালনা করবে, বাংলাদেশে একমাত্র দৃষ্টান্ত আওয়ামী লীগ সরকার স্থাপন করেছিল, সেটা ১৯৯৬- ২০০১ সাল পর্যন্ত সময় পূর্ণ করা। এর পূর্বে কোনো সরকার ৫ বছর মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেনি। সাংবিধানিকভাবে আমাদের সরকারের মেয়াদ ৫ বছর। নির্বাচন সময় মতোই হবে। একটা নির্বাচন যখন করা হয়েছে স্বাভাবিকভাবে আরেকটা নির্বাচন আসবেই। যে যার মতো করে বুঝে নিন।---জানান শেখ হাসিনা।’
সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে লিখিত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা ২৫ থেকে ২৭ অক্টোবর আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের প্রশাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের আমন্ত্রণে আমিরাত সফর করেন।