রাষ্ট্রপতির কাছে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ক্ষমা চাওয়ার পদ্ধতি বা অধিকার না রাখার বিষয়ে নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।
বিগত দিনে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে অপরাধীদের নানা সুযোগ করে দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে, ভবিষ্যতে নাগরিক অধিকারের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির কাছে যাতে ক্ষমা না চাইতে পারে সে বিষয়ে নিশ্চিতের কথা বলেন তারা।
মঙ্গলবার রাজধানীতে ৪২তম সংবিধান দিবসের আলোচনায় এসব কথা বলেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিরভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির ও মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র নাথ ত্রিবেদী।
তারা বলেন, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ীও জামাতকে নিষিদ্ধ করা যায়। কিন্তু এ নিয়ে কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
রাষ্ট্রপতি যেন যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করতে না পারেন তা নিশ্চিত করতে সংবিধান সংশোধনের পক্ষে মত দেন তারা। একই সঙ্গে সংবিধানে বর্ণিত সব মৌলিক অধিকার পাঠ্য বইয়ে অর্ন্তভূক্ত করার ও আহ্বান সংবিধান প্রণেতা ব্যারিস্টার আমীর উল ইসলাম ও বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনীর সভাপতি অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন।
মানবতাবিরোধী অপরাধে মীর কাসেম, কামারুজ্জামান ও মতিউর রহমান নিজামীর রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তাদের লেখা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী বই বাজেয়াপ্ত করার দাবি জানানো হয় আলোচনা সভায়।
১৯৭২ সালের সংবিধানে ধর্মের নামে রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল জাতীয় চার মূলনীতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার উদ্দেশ্যে। তবে সামরিক সরকারগুলো ক্ষমতায় আকড়ে থাকার জন্য বারবার সংবিধান সংশোধন করে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনায় আঘাত হেনেছে। তারা জামাতকে রাজনীতি করার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।