মানবতাবিরোধী অপরাধী মীর কাসেম ও কামারুজ্জানের রায়ের প্রতিবাদে জামাতে ইসলামীর ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতালের শেষ দিন চলছে।
তবে নিরুত্তাপ হরতালে জনজীবন স্বাভাবিক রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ের যেকোনো হরতালের চেয়ে রাস্তায় গাড়ি চলছে অনেক বেশি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের সংখ্যাও বেড়েছে।
এছাড়া, রাজধানীর ২/১টি স্থানে বিচ্ছিনভাবে হরতাল সমর্থনে ঝটিকা মিছিলের খবর পাওয়া গেলেও রাজপথে এখন পর্যন্ত হরতালের কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা হরতালবিরোধী মিছিল-সমাবেশ করেছেন।
তবে মহাখালী ও সায়দাবাদ থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সামাল দিতে রাজধানীসহ সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২ নভেম্বর একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামাতের নির্বাহী সদস্য ও প্রধান অর্থ জোগানদাতা হিসেবে পরিচিত মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। এ মৃত্যুদণ্ডাদেশের প্রতিবাদে ৬ নভেম্বর হরতালের ডাক দেয় জামাত।