একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ফরিদপুরের নগরকান্দার রাজাকার বাহিনীর প্রধান পলাতক জাহিদ হোসেন খোকন ওরফে খোকন রাজাকারকে ট্রাইব্যুনাল ফাঁসির আদেশ দেয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আইনজীবী ও মুক্তিযোদ্ধারা।
তবে ট্রাইব্যুনালের দেয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের ১২টি রায়ের মধ্যে খোকন রাজাকারসহ পলাতকদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করতে সরকারের প্রতি আহ্বান তাদের।
বৃহস্পতিবার খোকন রাজাকারের রায় ঘোষণার দিন ধার্য থাকায় ট্রাইব্যুনালে হাজির হন মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবীসহ সাধারণ মানুষ। খোকন রাজাকারকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মুত্যুদণ্ড দেয়ার আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা। মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের মতো ঘৃণ্য অপরাধের নেতৃত্ব দেয়ায় খোকন রাজাকারের সর্বোচ্চ সাজার দাবিতে নানা স্লোগান দিতে থাকেন তারা।
তবে আসামী খোকন রাজকারসহ দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আরো যে ৩ জন পলাতক রয়েছেন তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানান মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
ট্রাইব্যুনালের রায়ে খোকন রাজাকরের যথপোযুক্ত সাজা হয়েছে— উল্লেখ করে আইনজীবীরা বলেন, ট্রাইব্যুনালের রায়ে বলা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের নগর কান্দায় পাক বাহিনীকে সহযোগীতা করে সাধারণ মানুষদের ওপর যে নির্যাতন করা হয়েছিল তার নেতৃত্ব দেন খোকন রাজাকার।