চালু হওয়ার পর গত ৫ নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৮৬ লাখ ৭৮ হাজার ৯৫৯টি মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ইস্যু করা হয়েছে সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।
সোমবার সংসদে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁনের পক্ষে সরকারি দলের মোরশেদ আলমের এক প্রশ্নের জবাবে আরো জানান বর্তমানে দৈনিক ১৫ হাজার এমআরপি প্রিন্ট করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে গ্রাহককে দেয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বা এমআরপি সম্পূর্ণরূপে প্রযুক্তি নির্ভর চলমান প্রক্রিয়া। পদ্ধতিগত কারণে অনেক সময় পাসপোর্ট প্রিন্ট হওয়ার জন্য নির্ধারিত সময়ের আগেই সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর ডাটা বা তথ্য প্রেরণ করা হয়। এর ফলে ওই আবেদনসমূহ প্রিন্ট হওয়ার নির্ধারিত সময়ের আগ পর্যন্ত আটকে রয়েছে বলে মনে হতে পারে। প্রকৃতপক্ষে পাসপোর্ট প্রিন্টিং-এর জন্য অপেক্ষমান থাকে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সরকারি দলের ফরিদুল হক খানের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মেশিন রিডেবল পাসপোর্টে একজন নাগরিকের বেনামে একাধিক পাসপোর্ট গ্রহণের কোন সুযোগ নেই। পাসপোর্ট আবেদনকারী যাবতীয় তথ্যাদি বিশেষ করে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মসনদসহ অন্যান্য তথ্যাদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার পরেই এমআরপি প্রদান করা হয়।
তিনি বলেন, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি)-এর মাধ্যমে পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করে সঠিকতা যাচাই করে এমআরপি প্রদান করা হয়ে থাকে।
তিনি বলেন, এছাড়া এমআরপি প্রক্রিয়ায় প্রত্যেক আবেদনকারীর হাতে আঙ্গুলের ছাপ গ্রহণ করা হয়, যা অন্য কোন ব্যক্তির সঙ্গে ডুপ্লিকেশনের কোন সুযোগ নেই। ফলে এক ব্যক্তির একাধিক বা বেনামে পাসপোর্ট করা সম্ভব নয়।