বিমানবন্দর দিয়ে চোরাচালানের মতো অপরাধমূলক ঘটনাগুলোর কোনো দৃশ্যমান শাস্তি না হওয়ায় এ ঘটনা বারবার ঘটছে বলে মনে করেন অ্যাভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম। শুক্রবার দেশ টেলিভিশনকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেন।
ওয়াহিদুল আলম বলেন, বিমানবন্দরগুলোতে আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ও কর্মকর্তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণ না থাকাতেও চোরাচালান বন্ধ হচ্ছে না। চোরাচালানের ঘটনায় বিমানের কর্মকর্তারা জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি চরম মানহানিকর।
তিনি আরো বলেন, চোরাচালান বন্ধে শুধু গ্রেপ্তার করলেই হবে না বরং শাস্তিও নিশ্চিত করতে হবে। শাস্তির ক্ষেত্রে আরো কঠোর আইনও করা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ বিমান ও বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা যাতে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িয়ে পরতে না পারে সেজন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণকরা প্রয়োজন বলেও মনে করেন এ অ্যাভিয়েশন বিশেষজ্ঞ।
এদিকে, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত বিমানের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ের বড় ধরনের পদক্ষেপ নেয়া উচিত। এছাড়াও এ ঘটনার দায়ভার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নিতে হবে।
প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিমানবন্দরে ধরা পরছে অবৈধ ভাবে নিয়ে আসা স্বর্ণের চালান। এ সকল ঘটনায় অনেকে গ্রেপ্তার হলে ধরাছোয়ার বাইরে থাকেন মূল হোতারা। অবশেষে গত বুধবার স্বর্ণ চোরাচালানে জড়িত সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের কয়েক জনকে ধরতে সক্ষম হয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ বিমানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ।