দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা- সার্কের অষ্টাদশ শীর্ষ সম্মেলন আগামী বুধবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে শুরু হতে হচ্ছে। দুদিনের এ সম্মেলনে বাংলাদেশ যুব উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, যোগাযোগ, সন্ত্রাসবাদ দমন, খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন ও নারীর ক্ষমতায়নের মতো বিষয়গুলোতে বিশেষ অগ্রাধিকার দিবে। সম্মেলনে যোগ দিতে আগামীকাল নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দু'দিনব্যাপী সার্ক শীর্ষ সম্মেলন আগামী ২৬ নভেম্বর কাঠমান্ডুর ভ্রীকুটি মণ্ডপে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় সভাগৃহে শুরু হতে যাচ্ছে। এবার শীর্ষ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য- শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য আরও ঘনিষ্ট সম্পর্ক।
এ সম্মেলন উপলক্ষে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেয়া হয়েছে গোটা কাঠমান্ডু শহর। সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানরা যোগ দেবেন।
সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে মঙ্গলবার বিকেলে নেপালের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২৬ নভেম্বর সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে সার্ক-এর অন্য সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে তিনি সেখানে ভাষণ দেবেন।
এছাড়া ওই দিন সম্মেলনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কৈরালা, আফগানিন্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ ইয়ামিন আব্দুল গাইয়ূমের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।
পরদিন ২৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও সার্কের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ নেপালের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র ধুপিখেল যাবেন। এছাড়া কাঠমান্ডুতে রাষ্ট্রপতি ভবনে নেপালের প্রেসিডেন্ট ড. রামবরণ যাদবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।
এবার সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য যুব উন্নয়ন, দারিদ্র বিমোচন, যোগাযোগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জলবায়ু পরিবর্তন, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ- এই ১০টি প্রধান বিষয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করবে। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী এ কথা জানান।