লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। আইনের শাসন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য বলে জানিয়েঝেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
সোমবার সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে সুরঞ্জিত আরও বলেন, লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে সরকার এবং আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তরিৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যা সংসদীয় ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন ঘটনা।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, জনগণের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা এবং ধর্মীয় অনুশাসনের প্রতি আনুগত্য স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডনে সফররত থাকা অবস্থায় ব্যবস্থা নিয়ে নজির সৃষ্টি করেছেন। পরবর্তীতে মন্ত্রিসভা থেকে তাকে বাদ দিয়ে আরেকটি নজির স্থাপন করেছেন। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ থেকে এবং পরবর্তীতে প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে অপসারণ করে তিনি আরেকটি নজির স্থাপন করেছেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সংবেদনশীল। লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালত থেকে যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তা কার্যকর করার দায়িত্ব আইন প্রয়োগকারী সংস্থার। এ ব্যাপারে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। এ নিয়ে কেউ যদি ঘোলা পানিতে মাছ শিকার কিংবা দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে চায় তা অবশ্যই ঠিক হবে না।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত কার্যপ্রণালী বিধির ১৭৪ বিধির উদ্ধৃত করে বলেন, ফৌজদারী অভিযোগে কোন সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে আইন-শৃংখলা বাহিনী তা কার্যকর করে স্পিকারকে অবহিত করবে এবং স্পিকার পরবর্তীতে তা সংসদকে জানাবেন। তবে সংসদ এলাকা থেকে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যকে গ্রেফতার করতে হলে এক্ষেত্রে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন হবে।
লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে আরও বক্তৃতা করেন জাতীয় পার্টির জিয়াউদ্দিন বাবলু, স্বতন্ত্র সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী ও হাজী মো. সেলিম এবং বিএনএফ’র আবুল কালাম আজাদ। সূত্র বাসস।