পুলিশকে ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া নিয়েছে সরকার— উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, এর অংশ হিসেবে ৫০ হাজার সদস্য অর্ন্তভুক্তির মধ্যে প্রাথমিকভাবে ১৭ হাজারের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যা ব) সদর দপ্তরে ৪০ হাজার অপরাধীর ডিজিটাল ডাটাবেজ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাইবার সন্ত্রাস রোধে পুলিশের অধীনে একটি নতুন ইউনিট খোলা ও সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ রুখতে সরকারের বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর এক খুনিকে ডিজিটাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চিহ্নিত করে দ্রুত দেশে ফেরত আনা হবে বলে জানান তিনি।
ক্রিমিনাল জাটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেমস পদ্ধতি ব্যবহার করে দেশের ৬৭টি কারাগারের মধ্যে ৬৪টি কারাগারে থাকা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক ও বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত অপরাধীদের তথ্য সংগ্রহ করেছে র্যা ব।
সিডিএমএস এ পদ্ধতিটিতে সংগৃহীত তথ্য অপরাধীদের জাতীয় পরিচয় পত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করে দেয়া হয়েছে। এতে কোন জঙ্গি কিংবা যেকোন অপরাধী আইনের ফাঁক গলে পরিচয় গোপন রেখে কোথাও লুকিয়ে থাকতে পারবে না। পর্যায়ক্রমে এ সিস্টেমের সঙ্গে বিআরটিএ, জন্ম নিবন্ধন ও মেশিন রিডেবল পাসর্পোটের সার্ভারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করার প্রক্রিয়া চলছে। এই মুর্হূতে র্যা বের কাছে ৪০ হাজার অপরাধীর ডাটাবেজ রয়েছে ওই সিস্টেমে।
আসাদুজ্জামান খান কামাল আরো বলেন, পুলিশ যেন সাধারণ মানুষের বন্ধু হয়ে উঠতে পারে সে জন্য সরকার এ বাহিনীকে ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া গ্রহণ করেছে।
অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার বলেন, অপরাধীরা প্রতিনিয়তই প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে উঠছে— যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রযুক্তি নির্ভর হতে হবে।
একই অনুষ্ঠানে অপরাধ তদন্তের পুরাতন পদ্ধতি ব্যবহার করে এখন আর অপরাধ রোধ করা সম্ভব নয় মন্তব্য করে র্যা বের মহাপরিচালক মোখলেসুর রহমান বলেন, র্যা বসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আধুনিকায়ন করে গড়ে তুলতে হবে।