অষ্টাদশ সার্ক শীর্ষ সম্মেলনকে ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের মাঝে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, সার্ক নেতারা তা যথাযথভাবে পূরণ করতে পারেননি- এ অভিমত জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ। শুক্রবার দেশটিখিকে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেন।
পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব এবং আমলাতান্ত্রিকতা এর বড় কারণ বলে মনে করেন তিনি। চীনকে সার্কের সদস্য না করাটা একটি ভুল সিদ্ধান্ত বলেও মত দেন ইমতিয়াজ আহমেদ।
শেষ মুহূর্তে জ্বালানি সহযোগিতা চুক্তি সই এবং সার্ক দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো, খাদ্য নিরাপত্তা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমন, নারী ও শিশু পাচার রোধের অঙ্গীকারসহ ৩৬ দফা কাঠমান্ডু ঘোষণার মধ্যে দিয়ে শেষ হলো ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন।
অবকাঠামোগত উন্নয়ন আর পারস্পরিক আস্থা বাড়াতে না পারলে শুধু চুক্তি এবং ঘোষণার মাধ্যমে সার্ক দেশগুলোর কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবেনা বলেই মনে করেন সাবেক রাষ্ট্রদূত ও বিশ্লেষক মোহাম্মদ জমির।
আর এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধনে চীনকে সম্পৃক্ত করতে পারলে সার্কভুক্ত দেশগুলোই লাভবান হতো বলে অভিমত জানান তিনি।
সার্ককে একটি সফল-কার্যকর আঞ্চলিক ফোরামে পরিণত করতে মহাসচিব পদটিকে শক্তিশালী এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা আরও বাড়ানোর ওপরে জোর দেন এই দুই বিশ্লেষক।