বিদ্যমান নানা প্রতিবন্ধকতা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের টানাপড়েন জিইয়ে রাখছে। ফলে দুদেশের অভিন্ন সংকট, বিশেষ করে নিরাপত্তাজনিত ইস্যুর সমাধান থাকছে পিছিয়েই। তবে দুদেশের কার্যকর নেতৃত্বই পারে এসব ইস্যুর সমাধান করতে। আর দুদেশের জনগণের সম্পর্ক আরও ঐকান্তিক হলে নেতৃত্বের ওপর চাপ সৃষ্টি করে সংকট সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারবে তারাই।
রোববার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ-ভারত নিরাপত্তা বিষয়ে এক সেমিনারে দুদেশের বিশিষ্টজনরা এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ-জেএমবির সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে ভারতীয় গোয়েন্দাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এরইমধ্যে দুদেশ এ নিয়ে তথ্য বিনিময় ও অনুসন্ধানগত পারস্পরিক সহযোগিতা চালাচ্ছে।
এদিকে, কাছাকাছি সময়ে দক্ষিণ এশিয়ায় বিশেষ করে বাংলাদেশ-ভারতে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলোর উত্থানের ঘোষণা এ অঞ্চলে নতুন করে নিরাপত্তার হুমকি বাড়িয়ে দিয়েছে।
এছাড়া, দুদেশের অনিরাপদ সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান, মানবপাচার, ও সন্ত্রাসীদের আনাগোনাও পুরনো ইস্যু।
এমন বাস্তবতায় দু'দেশের বিশিষ্টজনেরা একসঙ্গে বসেন কার্যকর সমাধানের লক্ষ্যে।
তারা বলেন, বাংলাদেশ কিংবা ভারত অথবা উভয়েই সেইসঙ্গে গোটা অঞ্চলই অনিরাপদ। যা বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ।
বাংলাদেশ-ভারতের বর্তমান নেতৃত্ব, সংকট সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় লাগলেও সমাধান হবে বলেই প্রত্যাশা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী।