বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি বিশেষ বিধান সংশোধন বিল-২০১৪ পরীক্ষাপূর্বক ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে রিপোর্টের জন্য বিদ্যুৎ-জ্বালানি-খনিজ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান বিদ্যুৎ-জ্বালানি-খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।
রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিনি বিলটি উপস্থাপন করলে স্পিকার ড. শিরিন শারমিন তা এ সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে যাচাই বাছায়ের জন্য প্রেরণ করেন।
গত ২৫ আগস্ট বিলটি মন্ত্রিসভার অনুমোদন পায়।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহের জন্য ২০১০ সালে দুই বছর মেয়াদী এ বিশেষ আইন করা হয়। পরে ২০১২ সালে মেয়াদ বাড়িয়ে চার বছর করা হয়। সে হিসেবে গত ১১ অক্টোবর ওই আইনের মেয়াদ শেষ হয়।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় প্রকল্প নেয়ার জন্য ‘বিশেষ কমিটির’ মাধ্যমে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চুক্তি করার বিধান রয়েছে এ আইনে।
এছাড়াও সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মেট্রোরেল বিল-২০১৪ উপস্থাপন করলে স্পিকার এ সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে সংসদে রিপোর্ট দিতে বলেন।
গত ১০ নভেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘মেট্রোরেল আইন- ২০১৪’ এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।
প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) একটি কমিটির মাধ্যমে মেট্রোরেলের ভাড়া নির্ধারণ করবে। রেলের পরিদর্শকও তারাই নিয়োগ দেবে।
বিলে মেট্রোরেল ও যাত্রীর বীমা বাধ্যতামূলক করে এ শর্ত লঙ্ঘনের শাস্তি হিসাবে সর্বোচ্চ ১০ বছর জেল ও ১০ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।