ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি ফলক। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫২ জন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম-পরিচয় সংবলিত এ স্মৃতি ফলক সংস্কার করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও কিছু শহীদের নাম পাওয়ায় সেগুলো এ ফলকে সংযোজন করতে চাইছে কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া ফলকগুলোর গায়ের টেরাকোটা ক্ষয়ে যাওয়া, আর প্রতিবন্ধীদের ঘুরে দেখার সুবিধা করে দেওয়াও সংস্কারের অন্যতম কারণ। আগামী মার্চের আগেই সম্পন্ন হবে সংস্কারকাজ।
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্কটের সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা, তার অন্যতম নিদর্শন এ শহীদ স্মৃতি ফলক। ত্রিভুজ আকৃতির সড়কদ্বীপে মোজাইক করা ধূসর কংক্রিটের ১৪টি প্রাচীর।
এটি স্থাপন করেন স্থপতি আবদুল মোহায়মেন ও স্থপতি মশিউদ্দিন শাকের। পরবর্তীতে এগুলোর গায়ে টেরাকোটা যোগ করেন চারুকলার শিক্ষক আবু সাঈদ তালুকদার ও শিল্পী রফিকুন নবী। ১৯৯৪ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ২ বছরের মাথায় শেষ হয়।
প্রাচীরগুলোর এক পাশে কালো মার্বেল পাথরে সাদা রঙে, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫২ জন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম-পরিচয় উল্লেখ ছিল। সম্প্রতি এর সংস্কার করা হচ্ছে মূল নকশা ঠিক রেখে। এ শহীদ স্মৃতিফলকের নতুন নাম দেয়া হয়েছে স্মৃতি চিরন্তন।
এছাড়া, প্রতিবন্ধীদের সুবিধার্থে চলাচলের ব্যবস্থা, ফোয়ারা, আলোকসজ্জা এবং বাগান থাকবে। আগামী মার্চের আগেই সম্পন্ন হবে সংস্কারকাজ।