আগামী ২০১৫ সালে হজ করতে যেতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইনে অগ্রিম নিবন্ধন করতে হবে হজযাত্রীদের এছাড়া আরো কিছু ব্যবস্থা রেখে হজ প্যাকেজ খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে হজ প্যাকেজের পাশাপাশি বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্প করপোরেশন আইন ২০১৪-এর খসড়ায় অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচির মোশাররফ হোসাইন ভূইয়া বলেন, প্রত্যেকের মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট-এমআরপি থাকতে হবে, আর হজ চলাকালীন সময় সরকার অনুমোদিত জায়গা ছাড়া অন্য কোথাও থাকতে পারবেন না তারা।
২০১৫ সালে মোট ১ লাখ ১ হাজার ৭৫৮ জন হজ করতে পারবেন, যারমধ্য সরকারিভাবে হজ করতে পারবেন ১০ হাজার জন। বাকিরা যাবেন বেসরকারিভাবে।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধন ফি ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৩১ টাকা। নিবন্ধন ফিসহ জনপ্রতি মোট খরচ সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৫ টাকা আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০৬ টাকা। নিবন্ধনের পর বাকি টাকা ১০ জুনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। কোরবানির জন্য প্রত্যেক হজযাত্রীকে খরচ করতে হবে ১০ হাজার ৫০০ টাকা। আর ব্যক্তিগতভাবে সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা করে নিতে পারবেন তারা।
এবার হজের সব কাজ ইলেক্ট্রনিকভাবে সম্পন্ন হবে— বাধ্যতামূলক অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন চলবে ২১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
অন্যান্য বারের তুলনায় এবার অনেক আগেই হজ প্যাকেজের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে সৌদি আরবে ২০১৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এবারই প্রথম বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইনে আগাম নিবন্ধন এবং এমআরপি পাসপোর্টে আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে হজ যাত্রার আনুষ্ঠানিকতা। চলবে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
এছাড়া বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন-বিসিক আইন ২০১৪'র খসড়ায়ও মন্ত্রিসভা নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।