আধুনিকায়নের মাধ্যমে প্রযুক্তি ও কৌশলগত দিক থেকে সরকার বিমান বাহিনীকে আরো শক্তিশালী ও কার্যকর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার রাজধানীর কুর্মিটোলায় বিমান বাহিনীতে ডিজিটাল ককপিট সম্বলিত আধুনিক কে-এইট ডব্লিউ জেট ট্রেইনার বিমান অন্তভূক্তি অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আকাশসীমার নিরাপত্তা রক্ষা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় ভুমিকা রাখতে বিমান বাহিনীকে সচেষ্ট থাকার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, শুধু বিমান বাহিনী নয় সেনা ও নৌবাহিনীর উন্নয়ন এবং আধুনিকায়নে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।
সশস্ত্র বাহিনীর উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর আলোকে বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নে কাজ করছে সরকার।
তিনি বলেন, ‘অচিরেই বিমান বাহিনী বহরে নতুন এমআই-১৭১ ও হেলিকপ্টার পিটি-৬ বিমান, এলইট-৪১০ বিমান, এডাব্লিউ-১৩৯ হেলিকপ্টার এবং ওইএকে-১৩০ বিমান যুক্ত করা হবে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত দিক থেকে একটি সুদৃঢ়, শক্তিশালি ও কার্যকর বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলবো।’
সমুদ্রসীমার সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে কক্সবাজারে একট নতুন এয়ার ডিফেন্স র্যা ডার স্থাপন করা হচ্ছে— উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যশোরে বিমান বাহিনী একাডেমি বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স নির্মানের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। আমাদের সমুদ্রসীমা এক্সক্লুসিভ ইকোনমি জোনের আকাশসীমা সর্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করার জন্য কক্সবাজারে একট নতুন এয়ার ডিফেন্স র্যা ডার স্থাপন করা হচ্ছে।’
শুধু দেশের মাটিতে নয় বিদেশেও প্রশিক্ষক বৈমানিকরা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের জন্য আরো সম্মান বয়ে আনবে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলার পাশাপাশি জনগণের আশা আকাঙ্খা পূরণে বিমান বাহিনী কাজ করবে।
এর আগে বিমান বাহিনীর এক চৌকস দল কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।