রাজধানীর বাজারগুলোতে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় বর্তমানে সাধারণ মানুষের ক্রয়সীমার মধ্যে রয়েছে বেশিরভাগ নিত্যপণ্যই। ভোক্তাদের দাবি সরবরাহ ব্যবস্থা ও দাম নিয়ন্ত্রণে রেখে সরকার যেন সারা বছরই নিত্য পণ্যের বাজারের এ অবস্থা ধরে রাখে।
তবে তীব্র শীতের কারণে বেড়েছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম এ সপ্তাহে কিছুটা বাড়তি। আর আন্তর্জাতিক বাজারে মুসুরের ডালের দাম বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও।
একক পণ্য হিসেবে সাধারণ মানুষের খাদ্য তালিকায় সবচেয়ে বেশি চালের ব্যবহার হয়। আর আমনের নতুন চাল বাজারে আসায় সেই চাল কেজিতে বর্তমানে ৩/৪ টাকা করে কমে বিক্রি হচ্ছে।
আর্ন্তজাতিক বাজারে দাম কমায় দেরিতে হলেও দেশের বাজারেও দাম কমেছে ভোজ্য তেলের। গেল দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পাঁচ লিটার সয়াবিনে কমেছে ৫৫/৬০ টাকা করে। কমেছে আদা-মসলাসহ বেশিরভাগ পণ্যের দামও। সব মিলিয়ে বাজারে এসে স্বস্তিতে ক্রেতারা।
তবে পৌষের প্রথমভাগেই শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা সরবরাহ স্বল্পতায় পেঁয়াজের বাজার। আর আন্তর্জাতিক বাজারে সাম্প্রতিক সময়ে মসুর ডালের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারেও কেজিতে ৫ টাকা করে দাম বেড়েছে।
খাল-বিল, জলাশয় ও নদীর পানি কমে যাওয়ায় প্রচুর মাছ ধরা পড়ছে। যে কারণে সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও কমে এসেছে।
কাঁচা বাজারেও শীতের টাটকা সবজির প্রচুর সরবরাহ রয়েছে। টাটকা শাক-সবজির সতেজতায়, ক্রেতারা চাইছেন বাজারের বর্তমান অবস্থার দীর্ঘ স্থায়িত্ব।
তাদের দাবি সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রেখে সরকার পাইকারি ও খুচরা বাজারে নিয়মিত নজরদারি রাখলে বাজার সবসময়ই সহনীয় থাকবে।