চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়া রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মগবাজার-মালিবাগ সড়কটিতে যাতে নির্বিঘ্নে যান চলাচল করতে পারে সেজন্য আগামী ১০ জানুয়ারির মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আবারো নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
মঙ্গলবার মগবাজার – মৌচাক ও মালিবাগ ফ্লাইওভারের নির্মাণের কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
সড়ক মন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে মগবাজার - মালিবাগের অংশের ফ্লাইওভারের কাজ শেষ হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী ১০ জানুয়ারির মধ্যে এসব রাস্তার বেহাল দশার পরিবর্তন হবে।
ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজকে কেন্দ্র করে সড়ক জুড়েই তৈরি হয়েছে ছোট-বড় গর্ত। প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ যানজট। বিকল্প সড়ক ব্যবস্থা না থাকায় এক কিলোমিটার রাস্তা পাড় হতে সময় লাগছে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা।
তবে চালক ও যাত্রীদের রয়েছে শত অভিযোগ, সংশয় প্রকাশ করছেন মাত্র ১৫ দিন পরে এ অবস্থার আদৌ পরিবতর্ন হবে ? নাকি এ আশ্বাস পূর্বের প্রতিশ্রুতির মতই বিলীন হয়ে যাবে।
মৌচাক থেকে বাংলামোটর। এদিকে, মালিবাগ থেকে শান্তিনগর আর ওদিকে সাতরাস্তা থেকে মগবাজার, পুরো আট কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে চলছে নির্মাণযজ্ঞ। একদিকে উড়াল সেতু নির্মাণকে কেন্দ্র করে ঢাকা ওয়াসা, ডিপিডিসি আর বিটিসিএল এর রাস্তা খোঁড়াখুড়ির কারণে সড়কের ওপর তৈরি হয়েছে ছোট-বড় গর্ত। অন্যদিকে কাঁদায় একাকার পুরো রাস্তা। আর ওপরে চলছে নির্মাণ কাজ। এই সব মিলে পুরো এলাকা জুড়েই অবর্ণনীয় দূরাবস্থা।
মূল সড়কের এ কাঁদা-পানি আর যানজট ছড়িয়ে পড়েছে আশে-পাশের অলি-গলিতে।
গাজীপুর-গুলিস্তান, গাজীপুর- সায়েদাবাদ, মিরপুর-কমলাপুরসহ উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ১০টি রুটের গাড়ি চলাচলের একমাত্র পথ এটি। গাড়ি চালকরা জানান, মগবাজার থেকে মালিবাগ পর্যন্ত পাড় হতেই ঘণ্টা চলে যায়। ফলে কমেছে যাত্রীর সংখ্যা।
এতে ভোগান্তিতেও পড়ছেন যাত্রীরা। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে তিন থেকে চারগুণ সময় বেশি লাগছে বলে অভিযোগ তাদের।
৮ দশমিক ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের উড়াল সড়কের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে ২০১৩ সালে। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।