শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য নতুন কমিশন প্রাপ্ত ক্যাডেটদের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার চট্টগ্রামে ভাটিয়ারীতে মিলিটারি একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনাবাহিনীর নতুন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের শীতকালীন রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ট্যাংক, এপিসি, মাল্টিব্যারেল রকেট লাঞ্জারসহ বহু অত্যাধুনিক সরঞ্জামাদি সংযোজন করা হয়েছে।
সশস্ত্র বাহিনীকে অত্যাধুনিক ও সময়োপযোগী করতে রাশিয়ার সঙ্গে ১০০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি সই করা হয়েছে—শেখ হাসিনা উল্লেখ করে চীন ও সারবিয়া থেকে সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে প্রণিত ১৯৭৪ সালের প্রতিরক্ষা নীতির আলোকে ফোর্সেস গোল প্রণয়ন করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী দেশে ও বিদেশে অর্পিত দায়িত্ব পালনে স্বীয় দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের জন্য সব মহলের প্রশংসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে—এমন প্রশংসা করে শেখ হাসিনা আরো বলেন, এ সুনাম অক্ষুণ্ণ রেখে সেনাবাহিনীকে উত্তরোত্তর উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে হবে।
এ অনুষ্ঠানে ১৭৬ জন ক্যাডেট কমিশন লাভ করেন। এর মধ্যে ৭১তম বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সে ১৪৫ জন পুরুষ, ১৪ জন নারী ক্যাডেট এবং ৪২তম বিএমএ স্পেশাল কোর্সে ১৩ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী ক্যাডেট রয়েছে।
এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী ৭১তম বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদী কোর্স, ৪২তম বিএমএ স্পেশাল কোর্সের ক্যাডেটদের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও মার্চ পাস্টের অভিবাদন গ্রহণ করেন।