শুধু সরকারের মুভপাত্র হিসেবে নয়— শিক্ষা ও সংস্কৃকি দ্বারা বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) কার্যক্রমকে আরো বিস্তৃতি করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বিটিভি কেবল সরকারের নয়, এটি জাতীয় টেলিভিশন। বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে এর ব্যবহার বাড়াতে হবে। বিটিভি শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে যাবে।
বিটিভিকে ব্যবহার করে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল— এ কথা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখল করে সামরিক শাসক জিয়া (প্রয়াত জিয়াউর রহমান) শুধু স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার-আলবদরদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবেই প্রতিষ্ঠিত করেননি, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং আদর্শকে মুছে ফেলার ঘৃণ্য পরিকল্পনা নিয়েছিলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস ছড়িয়ে দিতে পদক্ষেপ নেয়। বাংলাদেশ টেলিভিশন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস ছড়িয়ে দেয়। এ টেলিভিশন যেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিতে আরো কাজ করে।
তিনি আরো বলেন, বেসরকারি চ্যানেলগুলোর সঙ্গে বিটিভিকে প্রতিযোগিতা করতে হবে। বিটিভিকে আধুনিকায়নে কাজ করছে সরকার। সরকারের নয়, বিটিভিকে জনগণের মুখপাত্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।