প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর রাজধানীর শাহজাহানপুরে রেলওয়ে কলোনির গভীর নলকুপের পাইপ থেকে শিশু জিহাদকে উদ্ধার পর ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার বিকেল ৩টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা ফারুকসহ কয়েকজন গাড়ি মেকানিক তাদের তৈরিকৃত একটি ‘ক্যাচার’ দিয়ে শিশু জিহাদকে উদ্ধার করেন। তাকে প্রায় ২৩৫ ফুট নিচ থেকে ওই যন্ত্রটি দিয়ে টেনে তোলা হয়। উদ্ধারের সময় সে অচেতন অবস্থায় ছিল।
উদ্ধারের কিছুক্ষণ আগেই ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক উদ্ধার অভিযান স্থগিত ঘোষণা করেন।
এর আগে শুক্রবার বিকেলে খেলার সময় শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনি সুপার মার্কেটের পাশে পরিত্যক্ত ৪০০ ফুট গভীর পানির পাইপে জিহাদ পড়ে গেছে এমন খবর ছড়িয়ে পরে।
পরে প্রাথমিকভাবে রশি দিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। সরবরাহ করা হয় অক্সিজেন ও খাবার। শিশুটি পাইপের ভেতরে বেঁচে আছেন এমনটিও দাবি করেন তারা।
ঘটনার স্থান পরির্দশন শেষে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বড় পাইপের ভেতরে থাকা ছোট পাইপ ক্রেন দিয়ে তোলা পর উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ক্যামেরা ৩০০ ফুট নিচে নামানো হয়েছে। তারপরও পাইপে শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এদিকে, এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে রেলওয়ের সিনিয়র উপসহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্ত ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ‘এস আর হাউজ’কে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়।