সুন্দরবন রক্ষায় যে কোনো মূল্যে ওই এলাকায় নৌযান চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে—একইসঙ্গে ভবিষ্যত সতর্কতা হিসেবে দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষণ এবং সংকট সমাধানের উপযুক্ত প্রস্তুতি নেয়া আবশ্যক।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ বিশেষজ্ঞ দলটি এ পরামর্শ দেয়।
ট্যাংকারডুবে তেল ছড়িয়ে পড়ার পর সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে প্রাথমিক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞ দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মূলত মরা কটালের কারণেই সুন্দরবনের ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে। তাছাড়া তেল ছড়িয়ে পড়ার পর পর স্থানীয় মানুষ ও বন বিভাগের তৎপরতা ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করেছে।
দলটির পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়, পরিবেশ ও জীবন-জীবিকা, উভয় দিক রক্ষায় সর্বোত্তম বিকল্প খুঁজে বের করার সময় এখনই।
মধ্য জানুয়ারি নাগাদ বিস্তারিত প্রতিবেদন পেশ করা হবে বলে জানায় বিশেষজ্ঞ দলটি।