বাসা-বাড়ির নম্বরও ডিজিটাল হতে যাচ্ছে তাই হোল্ডিং নম্বরের সংখ্যা হালনাগাদ ও রাজস্ব আদায়ে বাড়ানোর লক্ষ্যে এরইমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। এ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি বাড়ি ও ফ্ল্যাটেরও নম্বর হবে ডিজিটাল। এ উদ্যোগের ফলে করবর্হিভূত হোল্ডিং থাকার সুযোগ থাকবে না বলে মনে করছে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, এ কার্যক্রমের নামে নগরবাসী যাতে হয়রানির শিকার না হোন সেদিকেও সিটি করপোশেনের কঠোর নজরদারি থাকছে।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ দুই সিটি করপোরেশনের আওতায় বর্তমানে হোল্ডিং এর সংখ্যা ২ লাখ ৮২ হাজার ৫৬০টি। এরমধ্যে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সীমানায় রয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৬০টি আর উত্তরে দেড় লাখ।
২০১৩-১৪ অর্থবছরে দুই সিটি করপোরেশন থেকে সাড়ে ৬০০ কোটি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও আদায় হয় সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা। রাজস্ব আদায়ের এই বিরাট ব্যবধান কমানো ও সঠিক হোলিং সংখ্যা নির্ধারণে প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।
এরই অংশ হিসেবে সিটি করপোরেশনের আওতায় বাসা-বাড়ি, ফ্ল্যাটের ম্যানুয়াল নম্বর বদলে ডিজিটাল নম্বর প্লেট স্থাপন করা হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি বাড়ি এমনটি ফ্ল্যাটেও আলাদা ডিজিটাল নম্বর থাকবে। অর্থাৎ বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মালিক হলেই এর আওতায় পড়বেন। এক ব্যক্তির একাধিক ফ্ল্যাট বা বাড়ি থাকলে সেক্ষেত্রে বাড়ির মূল নম্বর ঠিক রেখে ক্রমানুসারে নম্বর ডিজিটাল প্লেটে উল্লেখ থাকতে হবে।
দায়িত্ব পাওয়া ৩ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাড়ি বাড়ি গিয়ে ৩৭০ টাকার বিনিময়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবেন। নম্বর প্লেট তৈরি করে তারাই পৌঁছে দেবেন।
এ উদ্যোগের ফলে হোল্ডিং এর সঠিক সংখ্যা নিরূপণ ও করবর্হিভূত হোল্ডিং থাকার সুযোগ থাকবেনা বলে মনে করছে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ।
আগামী ৬ মাসের মধ্যে এ প্রকল্প শেষ করার কথা রয়েছে।