ব্যক্তিগত বিনিয়োগ ছাড়া প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০১৪-১৫ অর্ন্তবর্তবতীকালীন পর্যালোচনা’ শীর্ষক সিপিডি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য জানানো হয়।
এছাড়াও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও যোগাযোগ খাতে উন্নয়ন, জমির যথাযথ ব্যবহার, অর্থনীতির নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে সিপিডির পর্যবেক্ষণে। আর বরাবরের মতোই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
সংস্থাটির মতে, রপ্তানি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, ঋণ পরিশোধ, ভর্তুকি ও রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে সরকারের কার্যক্রম সন্তোষজনক। তবে চলতি অর্থবছরে ২৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি হতে পারে। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় নির্বাচনের পর দেশে বিনিয়োগের যে গতি আশা করা হয়েছিল, তা দেখা যাচ্ছে না।
যেসব ক্ষেত্রে এখনও সরকারের ঘাটতি রয়েছে, সে সব চ্যালেঞ্জও তুলে ধরে সংস্থাটি। তবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়টি, যা না হলে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অধরা থাকবে বলে মনে করছে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি।
এছাড়া বিদ্যুৎ ও গ্যাস সমস্যার সমাধান, জমি অধিগ্রহণ করে তা সঠিকভাবে কাজে লাগানো, বিদ্যমান জমির যথোপযুক্ত ব্যবহার, আর্থ-সামাজিক খাতে নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের বিকল্প নেই বলে মনে করে সিপিডি।
এদিকে, রেমিট্যান্স খাতে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়ানো, বিদেশে অর্থ পাচার, চাল রপ্তানির ক্ষেত্রে সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দেয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি।