পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস। চৌদ্দশ বছর আগে ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের এ দিনে পবিত্র মক্কায় কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন হজরত মুহাম্মদ (সা.)। মুসলমানদের কাছে এ দিনটি গভীর তাৎপর্যপূর্ণ।
আইয়্যামে জাহেলিয়াতের অন্ধকার দূর করে তৌহিদের মহান বাণী নিয়ে আলোর দিশারী হিসেবে এসেছিলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের এ দিনে মক্কার কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ইসলাম ধর্মমতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব নবুয়তের শেষ এ নবী।
মানবজাতিকে মুক্তি ও শান্তির পথে আহ্বান জানিয়ে সব ধরনের কুসংস্কার, গোঁড়ামি, অন্যায়, অবিচার ও দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে মানবসত্তার চিরমুক্তির বার্তা শুনিয়েছিলেন মহানবী (সাঃ)। প্রচার করেন শান্তির ধর্ম ইসলাম।
পবিত্র কোরআনে, মহান আল্লাহতাআলার পক্ষ থেকে মহানবীকে সারাবিশ্বের রহমত হিসেবে পাঠানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাই তাকে বলা হয় সাইয়্যেদুল মুরসালিন।
দীর্ঘ ২৩ বছর ইসলামের শান্তির বাণী প্রচারের পর ৬৩ বছর বয়সে একইদিনে ওফাত লাভ করেন এই মহামানব।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য তুলে ধরে আল্লাহর হুকুম ও মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের কথা বলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক শামিম মোহাম্মাদ আফজাল।
তিনি বলেন, ইসলামের পথেই মানবজাতির অফুরন্ত কল্যাণ নিহিত বলে। কোরান-হাদিসের আলোকে জীবন গড়লে সমাজে আর কোনো হানানহানি, সহিংসতা থাকবে না । সকলের মধ্যে বিরাজ করবে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।