আমবয়ান দিয়ে টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্ব ইজেতেমার প্রথম পর্ব। মুসল্লিদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ইজতেমার ময়দান। আর এরই মধ্যে দেশি-বিদেশি মুসুল্লিরা পৌঁছে গেছেন। ১১ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে এর ১ম পর্ব।
অবরোধ উপেক্ষা করে এর মধ্যেই টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে বিশ্ব ইজতেমা প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়েছে হাজারো মুসুল্লিরা। এবারে ইজতেমার প্রথম পর্বে ৩২ জেলার মুসল্লিদের জন্য ময়দানকে ৪০টি খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে। অবরোধ থাকায় মুসুল্লিদের অনেকেই ইজতেমা ময়দানে গিয়েছেন রাতে।
রাস্তায় সমস্যা না হলেও ইজতেমা উপলক্ষে মুসল্লিদের অনেকে অবরোধ প্রতাহারের অনুরোধ করেছেন।
এদিকে, মুসুল্লিদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, গোয়েন্দা ও র্যা ব সদস্যদের সমন্বয়ে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ব্যবহার করা হচ্ছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে র্যাসব পরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘এই এলাকায় মটরসাইকেল-যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করবো। ছোট ছোট খালগুলোতে আমরা রিভার পেট্রোল করবো।’
গাজীপুর পুলিশ সুপার হারুন আর রশিদ বলেন, ‘লক্ষ্য লক্ষ্য মুসলমান দেশি-বিদেশিদের সমাগমকে কেন্দ্র করে আমরা প্রায় ১০-১২ হাজার পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করেছি।’
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেন, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহসহ মুসল্লিদের সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বিপু বলেন, ‘ততক্ষণিক ব্যবস্থার জন্য জেনারেটরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আশা করি বিদ্যুতের ঘাটতি হবে না।’