হরতাল-অবরোধে মানুষ হত্যা করতে দেখলে বা আক্রান্ত হলে প্রয়োজনে হামলাকারীদের গুলি করতে দ্বিধা করা হবে না বলে জানিয়েছেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ। বৃহস্পতিবার রাজধানী পিলখানা বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
জনগণের জানমালের নিরাপত্তার প্রয়োজনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা অস্ত্র ব্যবহার করতে বাধ্য হবে—এ কথা উল্লেখ করে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে যতদিন প্রয়োজন ততদিন মাঠে থাকা হবে।
বিজিবির গত একবছরের কাজের অগ্রগতি, নানা সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ।
দেশের চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সঙ্গে বিজিবির অবস্থান তুলে ধরে সারাদেশে ১৭টি জেলায় বিজিবি মোতায়েন রয়েছে বলে জানান তিনি।
অবরোধে মহাসড়কগুলোর নিরাপত্তা দিতে ৮৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন এবং আরো ৮০ প্লাটুন মজুদ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া চোরাচালান রোধসহ সীমান্ত অপরাধ রোধে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদার করছে বলেও মন্তব্য করেন বিজিবি মহাপরিচালক।
তিনি বলেন, ‘বিজিবি কাউকে হত্যা করতে চায় না, তারা পুলিশ ও র্যা বসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্য যারা রয়েছেন তাদের সহায়তা করবে। একজন ব্যক্তি পেট্রোল বোমা মারবে আর সেটা দাঁড়িয়ে থেকে দেখা হবে, এটা মানা যাবে না। কারণ সে পেট্রোল বোমা মেরে ৫ জনকে হত্যা করবে আর সেখানে যিদি তাকে ক্যাজুয়েল্টি করতে পারি তাহলে ৫টি প্রাণ বাঁচানো সম্ভব।’
বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৩৫টি জেলা থেকে আবেদন করা হলেও যাচাই-বাছাই শেষে ১৭টি জেলায় বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। মহাসড়কগুলোর নিরাপত্তাতেও কাজ করছে তারা।
তিনি আরো বলেন, অতিরিক্ত দায়িত্বের জন্য সীমান্ত রক্ষায় কোনো সমস্যা হচ্ছে না। যতোদিন জনগণের নিরাপত্তা প্রয়োজন হবে ততোদিন বিজিবি মাঠে থাকবে।