রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে যাত্রীবাহি বাসে অবরোধকারীদের পেট্রোলবোমা হামলায় দগ্ধ ২৮ জনের কেউই আশঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকরা।
আহতদের মধ্যে ৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে বলে জানা গেছে।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের ডাকা অবরোধ-হরতালে বোমা হামলায় এ পর্যন্ত শুধুমাত্র ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটেই চিকিৎসা নিয়েছেন ৭৮জন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৫ জন, বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫২ জন।
এদিকে, এ অবর্ননীয় যন্ত্রণার পাশাপাশি ক্ষোভের আগুনে পুড়ছেন অসহায়-নিরপরাধ এসব মানুষ ও তাদের স্বজনেরা। রাজনীতি না করেও কেন তারা অপরাজনীতির নির্মমতার শিকার?
রাজনীতিবিদরা কেন তাদের জীবনকে দুর্বিষহ করলেন সহিংসতার আগুনে? এ প্রশ্ন তাদের।
শুক্রবার রাত থেকেই দুই চোখের পাতা এক করতে পারেননি উর্মি আক্তার। একবার বোমায় দগ্ধ স্বামী সালাউদ্দিনের কাছে গিয়ে তার শরীরে হাত বুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন। পরক্ষণেই বাইরে গিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদছেন। কারো সাধ্য নেই তার কান্না থামানোর।
গুলিস্তানের ফুটপাতে জুতা বিক্রি করে সংসার চালাতো সালমা বেগমের ছোট ভাই খোকন। আদরের খোকনের সমস্ত শরীর রাজনৈতিক সহিংসতার আগুনে দগ্ধ।
ভাইয়ের এ আর্তচিৎকার কিভাবে সহ্য করবেন সালমা বেগম?