পাস হওয়ার প্রায় দেড় বছরের মাথায় ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে "নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩"। এরমধ্য দিয়ে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, আমদানি, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, সরবরাহ, বিপণন ও বিক্রয় নিশ্চিত করবে সরকার।
একইসঙ্গে খাদ্যদ্রব্যে বিষাক্ত ও তেজস্ক্রিয় উপাদান, অনুমোদনহীন দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে আইনে। আইন অমান্যে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি যথাযথভাবে মেনে চলার মাধ্যমে মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য, নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে, ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর নিরাপদ খাদ্য আইন পাস করে সরকার।
এর মধ্য দিয়ে একটি দক্ষ ও কার্যকর কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করে খাদ্য উৎপাদন, আমদানি, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, সরবরাহ, বিপণন ও বিক্রয় সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সমন্বয়ের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
এই আইনে "নিরাপদ খাদ্য" বলতে প্রত্যাশিত ব্যবহার ও উপযোগিতা অনুযায়ী মানুষের জন্য বিশুদ্ধ ও স্বাস্থ্যসম্মত আহারের উপযোগী খাদ্য বোঝানো হয়েছে।
তবে ওষুধ, ভেষজ, মাদক ও সৌন্দর্য সামগ্রী খাদ্যের অর্ন্তভুক্ত হবে না। খাদ্যদ্রব্যে বিষাক্ত উপাদান, তেজস্ক্রিয় ও ভারী ধাতুর ব্যবহার, অনুমোদনহীন খাদ্য উপাদান সংযোজন, কীটনাশক, অনুজীব ব্যবহার শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।
বর্তমান আইনের অধীনে "বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত" থাকবে। এই আদালতে যে কেউ নিরাপদ খাদ্য বিরোধী কাজ সম্পর্কে মামলা দায়ের করতে পারবেন। ২৩টি বিভিন্ন অপরাধে ১ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ৪ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে এই আইনে।
আইন পাস হওয়ার প্রায় দেড় বছর পর ১ ফেব্রুয়ারি রোববার থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে এই আইন।
বৃহস্পতিবার তথ্য অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম আইন কার্যকরে সবার সহযোগিতা চান।