শুধু পেট্রলবোমা হামলাকারী নয়— এর পরিকল্পনাকারী ও নির্দেদাতাদেরও কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন বোমায় দগ্ধরা। শুক্রবার দেশ টিভিকে এ দাবি জানান তারা।
তাদের স্বজনরা বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার আগুনে যেন আর নিরপরাধ কাউকে এভাবে দগ্ধ হতে না হয়। সেইসঙ্গে চলমান সংকটের রাজনৈতিক সমাধান চান।
গত ২৭ জানুয়ারি মাগুরার আড়পারা এলাকায় গভীর রাতে দুর্বৃত্তদের ছোড়া পেট্রলবোমায় দগ্ধ হন ট্রাকচালক মিলন। ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আছেন এ পেশায় এভাবে আর কখনই রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হতে হয়নি তাকে। এ যন্ত্রনার ভার আর সইতে পারছেন না তিনি।
অবরোধকারীদের বোমায় দগ্ধ স্বজনদের একটাই দাবি বন্ধ হোক এ সহিংসতা।
বার্ন ইউনিটের একই ওয়ার্ডে পেট্রোলবোমায় দগ্ধ বিল্লাল হোসেন পেশায় বায়িং হাউজ কর্মকর্তা। গত ১৭ জানুয়ারি মোহাম্মদপুরের বাসায় ফিরছিলেন বেড়িবাধ এলাকা দিয়ে।
দুর্বৃত্তদের ছোড়া পেট্রলবোমায় পুড়ে গেছে তার শরীরের ২৫ শতাংশ। পুড়েছে শ্বাসনালী, তাই কৃত্রিমভাবে তাকে দেয়া হচ্ছে তরল খাবার ও অক্সিজেন। জানতে চান রাজনীতি না করেও কেন রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার তিনি?
রাজনৈতিক সমস্যার রাজনৈতিকভাবেই যেন দ্রুত সমাধান হয় এমনটাই প্রত্যাশা তাদের স্বজনদের।