বিএনপির চেয়াররপারসন খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার প্রায় ২০ ঘণ্টা পর শনিবার রাত ১০টার দিকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে।
শুক্রবার রাতে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)। এছাড়া দুপুরের দিকে কার্যালয়ের কেব্ল টিভি ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ, মোবাইল ফোন নেটওয়ের্ক বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে রাতে তা আবার চালু হয়।
এর আগে শনিবার সকালে রাত ২টা ৩৭ মিনিট থেকে এখানে বিদ্যুৎ নেই – এ কথা উল্লেখ করে দিদার দাবি করেন, কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবেই বিদ্যুৎ লাইন কেটে দিয়েছে।
তিনি বলেন, ডেসকোর এক লাইনম্যান এসে গুলশান কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন— এ সময় তার সঙ্গে গুলশান থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ছিলেন।
দিদার বলেন, কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কারণ জানতে চাইলে ডেসকোর ওই লাইনম্যান বলেন, আমরা কিছু জানি না। থানার নির্দেশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে এসেছি।
যোগাযোগ করা হলে গুলশান থানার কর্তব্যরত এক কর্মকর্তা বলেন, তিনিও বিষয়টি জানেন না।
চেয়ারপারসনের কার্যালয় সাময়িকভাবে জেনারেটর চালু করে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশান-২ এর ৮৬ নম্বর সড়কের ওই বাড়িতে গত ৩ জানুয়ারি মধ্যরাত থেকে অবস্থান করছেন খালেদা জিয়া।
বিএনপির সাবেক এক সংসদ সদস্যের পরিবারের মালিকানাধীন বাড়িটি বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
কার্যালয়ের ভেতরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে রয়েছেন আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান ও তাদের দুই মেয়ে।
আরো যারা আছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান, প্রেস উইংয়ের সদস্য শাইরুল কবির খান, শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ। এর বাইরে সেখানে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাদলের সদস্য ও কার্যালয়ের কর্মচারীরা রয়েছেন।
দুই সপ্তাহ আগে পুলিশ ওই বাড়ির সামনে থেকে সব ধরনের ব্যারিকেড সরিয়ে নিলেও সেখানেই থাকছেন খালেদা জিয়া।