অবরোধকারীদের ছোড়া পেট্রোল বোমায় দগ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়েছেন আরো ৫ জন। সহিংসতায় দগ্ধ রোগীদের চাপ সামলাতে সোহরাওয়ার্দী ও মুগদা হাসপাতালে বেড প্রস্তুত রাখা হলেও জনবল সংকটে সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
এ অবস্থায় ঢাকার বাহির থেকে আসা চিকিৎসক ও নার্সসহ ৩০ জনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে বার্ন ইউনিটে। শনিবার ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
এদিকে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলের টানা অবরোধের প্রায় প্রতিদিনই পেট্রোলবোমায় দগ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হচ্ছেন মানুষ। দগ্ধদের অনেকেই চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে ফিরেছেন বাড়িতে।
তবে দগ্ধ হয়ে নতুন করে ভর্তি হওয়ায় কমছে না বার্ন ইউনিটে রোগীর সংখ্যা। চলমান এ সহিংসতায় বোমায় দগ্ধ হয়ে এ পর্যন্ত বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়েছেন ১২৩ জন। চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫২ জন আর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের।
শুক্রবার দুপুর থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত পেট্রোলবোমায় দগ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়েছেন আরো ৫ জন। চিকিসাধীন ৬২ জনের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের অধ্যাপক সাজ্জাদ খোন্দোকার বলেন, বোমায় দগ্ধদের চিকিৎসার চাপ সামলাতে বার্ন ইউনিটে ঢাকার বাহির থেকে আসা চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।