দীর্ঘ তিন বছরেও সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার কারণ ও খুনিদের শনাক্ত করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। থানা পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ, র্যা ব সবাই তদন্ত করেও মামলাটির কুল কিনারা করতে পারেনি। যদিও র্যা ব বলছে মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
গত বছরও তারা এই কথা বলেছিল। তাই ভরসা পাচ্ছেন না স্বজনরা। তাদের ক্ষোভ আর হতাশার বেড়েই চলেছে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় খুন হন বেসরকারি টেলিভিশন মাছরাঙার বার্তা সম্পাদক সাগর সরোয়ার আর এটিএন বাংলার সিনিয়ন রিপোর্টার মেহেরুন রুনি দম্পতি। তাদের একমাত্র ছেলে মেঘ দিনে দিনে বড় হয়ে উঠছে।
দিন, সপ্তাহ, মাস পেরিয়ে তিন বছর পার হলেও নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত রয়েছে সেই তিমিরেই। পাল্টেছে মামলার তদন্ত সংস্থা। তবু খুনিরা এখনও অধরা। হত্যার কারণ বা খুনিদের আদৌ গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে কি-না সেই আশঙ্কা দিন দিনই বাড়ছে স্বজনদের।
থানা পুলিশ ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ব্যর্থতার পর আদালতের নির্দেশে ২০১২ সালের এপ্রিল থেকে মামলাটির তদন্ত করছে র্যা ব। এ পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় দুই শতাধিক ব্যক্তিকে। ৩২ বার তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে র্যা ব।
এদিকে, সন্দেহজনক বলে গ্রেপ্তার করে ৭ জনকে রাখা হয়েছে কারাগারে। র্যা ব বলেই চলেছে, খুব শিগগিরই মামলার তদন্তের চুড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেবে তারা।